কোম্পানিটি এই ক্ষেত্রে চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি করছে, আর গুঞ্জন রয়েছে যে ২০২৭ সালের এক্সিনোস ২৮০০ চিপে স্যামসাংয়ের নিজস্বভাবে তৈরি GPU ব্যবহার করা হতে পারে।
খাজাকার মতে, স্যামসাং ধীরে ধীরে আরও বেশি হার্ডওয়্যার নিজেই ডিজাইন করার পথে এগোচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতের গ্যালাক্সি এস সিরিজের ফোনে এক্সিনোস চিপের ব্যবহার বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে। একই সঙ্গে, কোয়ালকমের সঙ্গে বর্তমান নির্ভরতার সম্পর্ক বজায় রেখে অভ্যন্তরীণ উপাদান উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করা স্যামসাংয়ের জন্য যুক্তিসংগত নাও হতে পারে।
Galaxy S25-এর তুলনায় Galaxy S26-এর দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, স্যামসাং এখনো Galaxy S26 সিরিজের চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করেনি, যদিও ফোনটি ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচনের কথা। স্মার্টফোন তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায়, প্রতিযোগিতামূলক মূল্য ধরে রাখা কোম্পানিটির জন্য ক্রমেই চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
গত কয়েক বছরে এক্সিনোস চিপের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমে যাওয়াতেই Galaxy S26 সিরিজের প্রায় ৭৫ শতাংশ মডেলে Snapdragon 8 Elite Gen 5 ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এসেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এক্সিনোসের ওপর স্যামসাংয়ের বাড়তি মনোযোগ ভবিষ্যতে স্ন্যাপড্রাগন চিপের সঙ্গে পারফরম্যান্সের ব্যবধান কমাতে এবং কোয়ালকমের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করতে সহায়ক হতে পারে। এতে করে উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে, বিশেষ করে যখন কোয়ালকম তার 8 Gen সিরিজের চিপের দাম প্রথম সংস্করণ থেকে শুরু করে প্রতি বছরই বাড়িয়ে চলেছে।